নারায়ণগঞ্জরে পাঁচটি আসনে ৪০ মনোনয়ন বধৈ, বাতলি ১৬টি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে ৫৭টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৪০টি বৈধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া ১৬টি মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে।শনিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।
জেলা রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে ৮টি মনোনয়ন পত্র জমা পড়েছে। এর মধ্যে ছয়টি বৈধ ও ২টি বাতিল ঘোষণা করা হয়। বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. দুলাল হোসেনের এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সঠিক না পাওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। একই আসনে হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকার কারণে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মনিরুজ্জামান চন্দনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
জেলা রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে ৮টি মনোনয়ন পত্র জমা পড়েছে। এর মধ্যে ছয়টি বৈধ ও ২টি বাতিল ঘোষণা করা হয়। বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. দুলাল হোসেনের এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সঠিক না পাওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। একই আসনে হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকার কারণে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মনিরুজ্জামান চন্দনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে মোট ১০টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে তিনটি বৈধ, চারটি অবৈধ এবং তিনটি স্থগিত রাখা হয়েছে। বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী আবু হানিফ হৃদয়ের মনোনয়নপত্র বাতিল হয় ঋণ খেলাপির কারণে। স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আউয়াল ও মিজানুর রহমানের এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সঠিক না পাওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয় । এছাড়া হলফনামা সঠিক না থাকা এবং প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীর তথ্য অসম্পূর্ণ থাকায় বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হাবিবুল্লাহর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
এছাড়া এই আসনে আয়কর সংক্রান্ত জটিলতার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান খান আঙ্গুর, জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী ইলিয়াস মোল্লা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাফিজুল ইসলামের মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ১১টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১০টি বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে অসম্পূর্ণ হলফনামা দাখিলের কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক রেজাউল করিমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জমা দেওয়া ১৫টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে নয়টি বৈধ, পাঁচটি বাতিল এবং একটি স্থগিত রাখা হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে- তথ্য গোপন করে অসম্পূর্ণ হলফনামা দাখিল করার কারণে গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূইয়া, একই অভিযোগে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির ইকবাল হোসেন ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির সেলিম আহমেদের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়। তিতাস গ্যাসের বিল পরিশোধ না করায় জাতীয় পার্টির সালাউদ্দিন খোকা, ভোটারের স্বাক্ষর সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাতেমা মনিরের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়া তিতাস গ্যাস বিল বকেয়া সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সাবেক সাংসদ ও বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আলীর মনোনয়নপত্র স্থগিত রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ১২টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে আটটি বৈধ এবং চারটি বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন- সিটি করপোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া থাকার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন, দলীয় মনোনয়নপত্র না থাকায় মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এবং একই কারণে ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুলের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এছাড়া তথ্য গোপনের অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের নাহিদ হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
পরে বিকেলে স্থগিত হওয়া ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এতে জেলায় ৪০ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ হয়েছে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, জেলায় ৫৬ জন প্রার্থী ৫৭টি মনোনয়নের আবেদন পত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে ৩৬টি মনোনয়নপত্র বৈধ, ১৬টি বাতিল এবং ৪টি স্থগিত রাখা হয়েছে। পরে বিকেলে স্থগিত চারটি মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া যেসব মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে, তাদের আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
মতামত দিন